পাকিস্তানে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯৩ পয়সা কমানো হয়েছে। এর ফলে দেশটির সাধারণ গ্রাহকদের প্রতি মাসে মোট সাশ্রয় হবে ৫৬০ কোটি পাকিস্তানি রুপি।
বিদ্যুতের দাম
বিদ্যুৎ উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় ১০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হলেও আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নবাগত চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, ‘দেশে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম সহসাই বাড়বে না।’সোমবার (২৬ আগস্ট) হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না।
একবছর পর ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। আগামী ১ মার্চ থেকে গড়ে ৭ শতাংশ হারে দাম বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলে জানান তিনি।
ভর্তুকি কমাতে চলতি বছরে গ্রাহক পর্যায়ে তিন দফা বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। আগামী জুনের মধ্যে আরো এক দফা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মিশনকে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
দু’মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে তিনবার। প্রতিবারই গ্রাহক পার্যায়ে বাড়ানো হয়েছে শতকরা পাঁচভাগ করে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দু’মাসে ১৫ ভাগ বলা হলেও বাস্তবে তার চেয়ে বেশি বেড়েছে।
বাংলাদেশে তৃতীয় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি মাসে মাসে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের যে নীতি নেয়া হয়েছে, তারই আওতায় দু’মাসের মধ্যে তিনবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো।
বিদ্যুতের দাম আবারো বাড়ানো হয়েছে। সরকারের নির্বাহী আদেশে এ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সবাই বিনিয়োগ করলে নিজেরাও লাভবান হবেন, আবার দেশটাও লাভবান হবে।